এবার বেলজিয়ামের স্কুলে মহানবী সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র

এবার বেলজিয়ামের একটি স্কুলে হযরত মুহাম্মাদ সাঃ এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন করেছেন শিক্ষক। এ ঘটনার পরপরই স্কুল শিক্ষককে তাৎক্ষণিক সাময়িক বরখাস্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্রাসেলসের মোলেনবিক সেন্ট জিন এলাকার একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র। বিতর্কিত ফরাসি ম্যাগাজিন শার্লি এবদো সম্প্রতি মহানবীকে যেসব ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশ করে ওই শিক্ষক তার একটি কার্টুন পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দেখান। একই কাজ করে কীভাবে একজন ফরাসি স্কুলশিক্ষক নিহত হন তারও বর্ণনা দেন ওই শিক্ষক। ওই শিক্ষক ক্লাসে মহানবীর অবমাননাকর কার্টুন প্রদর্শন করার পর দুই থেকে তিনজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ জানান। এরপরই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মোলেনবিকসের মেয়রের মুখপাত্র আরো বলেন,একটি বিতর্কিত ছবির কারণেই আমারা তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে নবীর কোন ছবি না হয়ে অন্য কোন বিতর্কিত ছবি থাকলেও এক ব্যবস্থা নিতাম।

কয়েদির পোশাকে মিন্নির ভিন্নধর্মী ছবি

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর সকালে তাকে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এদিকে কারাগারে কয়েদির পোশাক পরা মিন্নির একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে ভিন্ন রূপে দেখা যায় মিন্নিকে। ছবিতে দেখা যায়,একটি কক্ষে কয়েদির সাদা শাড়ি পরে বেঞ্চের উপর বসে আছেন মিন্নি। তার চেহারায় ক্লান্তির ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে কয়েদির পোশাক পরা মিন্নির ছবিটি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে কিভাবে এই ছবি ছড়িয়ে পড়লো,কে বা কারা ছবিটি তুলেছে সে সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি।
ল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ডের কিশোর গ্যাং গ্রুপ বন্ড-০০৭-এর সদস্যরা। ওই সময় স্ত্রী মিন্নি ঘটনাস্থলেই ছিলেন। একইদিন বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান রিফাত শরীফ। পরবর্তীতে ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। একইসঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ৮ জানুয়ারি একই মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বরগুনার শিশু আদালত। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে খালাস দেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আসাদুজ্জামান। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। এছাড়া ২৭ অক্টোবর দুপুরে আলোচিত এ মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির মধ্যে ৬ জনকে ১০ বছর, ৪ জনকে ৫ বছর ও একজনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে বরগুনার শিশু আদালত