কাবার যে পাথরটায় চুমু খেতে যান, সেটাকি মূর্তি না? : ডা. জাফরুল্লাহ

কাবার যে পাথরটায় চুমু খেতে যান-ভাস্কর্যের প্রসঙ্গ টেনে আলেমদের উদ্দেশ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আলেম সাহেবরা একটা ভুল কাজ করছেন। ইসলামে অন্যের মতামতের ওপর হস্তক্ষেপ দেয়া ধর্ম নয়। আজকে কি তাহলে আপনারা

মা দুর্গার মূর্তি রাখতে দিবেন না। আজকে কাবার যে পাথরটা আছে যেটা চুমু খেতে যান আপনারা। সেটাকি মূর্তি না, না সেটা উল্কা খন্ড।সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে টকশো অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ইসলামে কিন্তু ভিন্ন মতের ধর্ম

পালনের অধিকার আছে। আমি মনে করি অলেমগণ জ্ঞানী মানুষ তাদেরকে এই সকল বিতর্কে না জড়িয়ে সরাসরি মানুষের কল্যাণ মুখি কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, বরঞ্চ উনাদের নজর দেওয়া উচিত একই অপরাধ যখন সাধারণ মানুষ করে আর সেই অপরাধ যদি একজন ইমাম করেন

তাহলে মানুষ সেটাকে ভালো ভাবে নেয় না। সুতরাং তাদের উচিত হবে কোন মাদ্রাসা শিক্ষক যাতে কোনো বলোৎকারে জড়িয়ে না পরে। কোন ইমাম মুয়াজ্জিনের নামে যেন যৌন নিপীড়ন, স্ত্রী নির্যাতনের কথা না আসে। আরও যেটা ওনাদের করা উচিত আমরা সবাই যেন ভালো থাকি।

ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, ভাস্কর্য আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম দিনই তাদেরকে থামানো উচিত ছিল। রাস্তায় বের হতে দেওয়ার ফলে ওনারা মনে করছেন ডিজিটাল আইন শুধু আমাদের জন্যই। আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, উনাদের যেসব নেতৃবর্গ বলছেন বুড়িগঙ্গায়

ফেলে দিবেন এসব বলা উচিত নয়। সরকারের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আলেমরা একটি ভুল পথে যাচ্ছে তাদেরকে এভাবে রাস্তায় বের হতে দেয়া উচিত হবে না। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংযত হওয়ার আহ্বান করেন তিনি।

৫টি ভয়া নক এয়ার পোর্টে প্লেন ল্যা ন্ডিং

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে তেলের চাহিদা কমায় ৫০০ কোটি ডলারের বড় ধাক্কা খেল মুকেশ আম্বানির রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ। লকডাউনের সময় মুকেশের ডিজিটাল ব্যবসায় মুনাফা হলেও তেল শোধনাগার সংস্থাগুলো থেকে ওই পরিমাণ নিট মুনাফা হারিয়েছেন তিনি।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ সোমবার ভারতের সবচেয়ে দামি সংস্থা রিলায়্যান্সের শেয়ার ৬.৮ শতাংশ পর্যন্ত নিম্নমুখী হয়। ব্লুমবার্গ বিলিয়োনিয়ার ইনডেক্স-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে শেয়ার বাজারের ওই প্রবণতায় এক ধাক্কায় মুকেশের সম্পত্তি কমে যায় ৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। রিলায়্যান্সের শেয়ারে পতনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ের শেয়ার বাজারের সূচক বিএসি সেনসেক্স-এও। এদিন ওই সময় তা নেমে যায় ০.৭ শতাংশে।শেয়ার বাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গত মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত তেলের বাজারে মুনাফার নিরিখে মুকেশের জন্য সবচেয়ে খারাপ দিনটা ছিল এ দিন। ১২ মের পর থেকে রিলায়্যান্সের শেয়ার সবচেয়ে নিচে নেমে যায় আজ। পাশাপাশি ২০ জুলাইয়ের পর আজ ওই সংস্থার শেয়ারের দাম সবচেয়ে কমে যায়।গত শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় রিলায়্যান্সের ত্রৈমাসিক মুনাফা ১৫ শতাংশ নিচে নেমে গিয়েছিল, যার ফলে সংস্থার ১৩০ কোটি ডলারের লোকসান হয়েছিল। মূলত, করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় লকডাউন চলাকালীন যানবাহন কম চলায় বিশ্ব জুড়েই তেলের চাহিদা তলানিতে। তার জেরে রিলায়্যান্সের তেলের ব্যবসায় ধাক্কা লেগেছে। সংস্থার মুনাফা পড়েছে ২৪ শতাংশ। লকডাউন চলাকালীন অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের মাধ্যমে তা জ্বালানিতে পরিণত করার ক্ষেত্রে ব্যারেল প্রতি গ্রস মুনাফা কমেছে ৫.৭ ডলার। গত বছরে তা ছিল প্রতি ব্যারেল ৯.৪ ডলার।তবে পেট্রোকেম ব্যবসায় ধাক্কা লাগলেও লকডাউনের সময়ই ডিজিটাল সংস্থায় একের পর এক নয়া বিনিয়োগ টেনে এনেছে রিলায়্যান্স জিয়ো। বস্তুত ওই সময় রিলায়্যান্সের টেলিকম শাখা রিলায়্যান্স জিয়োর নিট মুনাফা তিন গুণ বেড়েছে। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে মুনাফা হয়েছে ২ হয়েছে ৮৪৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি গ্রাহক পিছু আয়ও বেড়েছে জিয়োর। জিয়ো জানিয়েছে, ২০১৯-২০২০ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে গ্রাহক পিছু তাদের আয় ছিল ১২৭.৪ টাকা। এবার তা বেড়ে হয়েছে ১৪৫ টাকা। ই-কমার্স ব্যবসার হাত ধরেও নতুন উদ্যোগে ময়দানে নেমেছেন ৬৩ বছরের মুকেশ।

বি মান যেভা বে আছ ড়ে পর লো ব্রি জ এর উ পর

বলিউড থেকে হলিউড নীল চোখের জাদুতে মুগ্ধ করেছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সাবেক এই মিস ওয়ার্ল্ড আজ রোববার ৪৭ বছরে পা রাখলেন। বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূর জন্মদিন ঘিরে নতুন তথ্য সামনে এলো। শাহরুখ খানের কারণেই নাকি তিনি সুপার হিট ছবি ‘বীর জারা’সহ একাধিক ছবি থেকে বাদ পড়েছেন!সম্প্রতি সিমি গারেওয়ালের সাক্ষাতকারভিত্তিক এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। সেখানে তিনি আগেও একবার হাজির হয়েছিলেন। প্রথমবারে তুলনায় দ্বিতীয়বার তিনি অনেক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন এবং নিজের অনেক ব্যক্তিগত কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শাহরুখের সঙ্গে পর্দায় তার রসায়ন নিয়ে আলোচনা হয় এবং ‘বীর জারা’সহ কেন তাকে একাধিক ছবি থেকে বাদ দেওয়া হয় তা প্রশ্ন করেন সিমি গারেওয়াল।সিমি গারওয়ালের এমন প্রশ্নে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘আমি কীভাবে এর উত্তর দেবো। একটু বিরতি নিয়ে এবং কিছুটা বিব্রত হয়ে ১৯৯৪ সালের বিশ্বসুন্দরী বলেন, ‘হ্যাঁ, সেই সময় আমাদের একসঙ্গে একাধিক ছবিতে কাজ করার ছিল এবং হঠাৎ করে তা হলো না, এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি। আমি কখনো এই কেন’র উত্তর পাইনি।’এ সময় সিমি ঐশ্বরিয়াকে বলেন, শাহরুখ খান একটি সাক্ষাতকারে আফসোস করে বলেছিলেন, এটি ঘটেছিল কারণ তিনি ঐশ্বরিয়ার ব্যক্তিগত জীবনে প্রবেশ করছিলেন। এর উত্তরে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘আমার কাছে এটির কোনো উত্তর নাই’। ছবিগুলো না করা তার ইচ্ছা ছিল না বলেও তিনি জানান।ছবি থেকে বাদ পড়ে কেমন লেগেছিল, এমন প্রশ্নে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘দেখুন, এমন সময়ে যখন কোনো ব্যাখ্যা থাকবে না, আপনি নিশ্চিতভাবে পুরোপুরি হতাশ হয়ে পড়বেন, বিভ্রান্ত হবেন এবং আঘাত পাবেন। আপনি এমন বিষয় অবাক হবেন।’শাহরুখকে কখনো এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কিনা, সিমির করা এমন প্রশ্নে বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ বলেন, ‘এটি আমার স্বভাবে নেই’। ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘কেউ যদি মনে করেন এর ব্যাখ্যা দেবেন, তখন দেবেন। যদি তারা না করেন, তবে কখনো ইচ্ছা করবেন না। তাই, এটি আমার স্বভাব না যে কেন এবং কী কারণে সে প্রশ্ন করে যাওয়া।’২০০৩ সালে একটি ভারতীয় টিভি চ্যানেলে শাহরুখ বলেছিলেন, ‘একটি প্রকল্প থেকে কোনা ত্রুটি নেই এমন একজনকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটা খুব কঠিন। ঐশ্বরিয়া ভালো বন্ধু হিসেবে বিষয়টি দুঃখজনক। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় আমি ভুল করেছিলাম। তবে প্রযোজক হিসেবে যুক্তি ছিল। তবে এর জন্য আমি ঐশ্বরিয়ার কাছে কাছে ক্ষমা চেয়েছি।ঐশ্বরিয়াকে আর শাহরুখকে সর্বশেষ ২০১৬ সালে  ‘অ্যায় দিল হে মুশকিল’ ছবিতে দেখা গেছে। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। অতিথি শিল্পী হিসেবে ঐশ্বরিয়ার সাবেক স্বামীর চরিত্রে ছিলেন শাহরুখ

পৃথি বীর সব থে কে আ জব ভিডিও যা আপ নি আ গে কখন ও দেখে ননি দে খুন সেই ভি ডিওটি

করোনাভাইরাসের নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাতারের রাজধানী দোহা ভ্রমণের চেষ্টা করছিলেন মো. নাসির উদ্দিন নামে এক যাত্রী। তাকে দেখে সন্দেহ হয় বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের। যাচাই করা হয় তার স্বাস্থ্যসনদ। দেখা গেল সেটি নকল। যাচাই-বাছাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট দেখেন কর্মকর্তারা, যোগযোগ করা হয় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের কার্যালয়েও। দুই জায়গা থেকেই খবর পাওয়া গেল নাসির করোনা আক্রান্ত।ভুয়া সার্টিফিকেট দেওয়ায় বিদেশ গমনেচ্ছু নাসিরকে বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশ দেন। নাসির বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।গতকাল সোমবার এ ঘটনা ঘটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সেখানকার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে কাতারের দোহাগামী যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময় নাসির উদ্দিনের রিপোর্ট দেখে সন্দেহ হয় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। তিনি নেগেটিভ সার্টিফিকেট দিলেও সেটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভারে দেখে যাচাই করেন তারা। সেখানে নাসিরকে করোনা পজিটিভ দেখানো রয়েছে।কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের মাধ্যমে দোহাগামী যাত্রী নাসির করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। সেখানেও যাচাই করেন তারা। সিভিল সার্জন কার্যালয়ও জানায় নাসির করোনা আক্রান্ত। পরে তাকে বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হলে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, ‘বিমানবন্দরে সকল যাত্রীর করোনা সার্টিফিকেট পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু একজন যাত্রী নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন, কিন্তু সার্ভারে তার পজিটিভ রিপোর্ট ছিল। পরবর্তীতে যাচাই করে দেখা যায়, যাত্রী নিজেই ভুয়া রিপোর্টটি তৈরি করে নিয়ে এসেছেন।’

 

আল্লা হ্‌কে হিজ ড়া বল ল এক জন না স্তিক ম হিলা তখ ন প শু হল দেখুন

এক বছরের কম বয়সি শিশুদের ঘুমের মধ্যে আচমকা মৃত্যু বা ‘সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ  সিনড্রোম’ (এসআইডিএস) এমন একটি ঘটনা যার কোন ব্যাখা এখনও বিজ্ঞানীরা দিতে পারেননি। শীতের দেশে এই ঘটনা বেশি দেখা যায়। কিছু নিয়ম মেনে চললে ঘুমের মধ্যে সদ্যোজাতদের আচমকা এমন মৃত্যু আটকে দেওয়া যেতে পারে। তাই সচেতন হতে হবে প্রত্যেক মা ও পরিবারকে।
এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে অক্টোবর মাসে ‘সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম অ্যাওয়ারনেস মান্থ’ পালন করা হচ্ছে। ডায়ারিয়া, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস-সহ নানা কারণে ১ বছরের কম বয়সি বাচ্চাদের বাঁচানো মুশকিল হয়। তাই এই বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না, জানালেন ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথের অধিকর্তা ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ।বাচ্চার জন্মের ২ মাস বয়স থেকে ৪ মাস বয়সের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। কখনও আবার জন্মের কয়েকদিনের মধ্যেও এই ঘটনা ঘটতে পারে।  এক বছর বয়সের কম বয়সি বাচ্চাদের ঘুমের মধ্যে কোনও কারণ ছাড়া মৃত্যু হলে এবং ময়নাতদন্ত করেও কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে না পেলে তখনই তাকে ‘সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম’ বা এসআইডিএস বলা হয়। এসআইডিএস-এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে জোরদার গবেষণা চললেও, এখনও কারণটি অজ্ঞাত।
শীতের সময় এই ঘটনার ঝুঁকি বেশি। শীত আসছে, তাই মা ও পরিবারের এই বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও কিছু কিছু কারণকে সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোমের জন্য দায়ী করা যেতে পারে।যে সব শিশু অত্যন্ত কম ওজন নিয়ে জন্মায় তাদের এই সমস্যার ঝুঁকি স্বাভাবিক ওজনের শিশুদের থেকে তুলনামূলক ভাবে বেশি।গর্ভাবস্থায় যে সব মা ধূমপানের নেশা চালিয়ে যান, কিংবা হবু মায়ের সামনে বাবা অথবা অন্যরা সিগারেট-বিড়ি খান, সেই সব  শিশুদের এসআইডিএস-এর ঝুঁকি অনেক বেশি।নির্দিষ্ট সময়ের আগে শিশু ভূমিষ্ঠ হলে আচমকা হৃদস্পন্দন থেমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।ছেলেদের ঝুঁকি মেয়েদের তুলনায় বেশি।২০ বছরের কম বয়সে সন্তানের জন্ম দিলেও ‘সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম’-এর সম্ভাবনা বাড়ে।একটি শিশুর যদি এ রকম আচমকা মৃত্যু হয়, পরবর্তী সন্তানের মৃত্যুর ঝুঁকি ১০ গুণ বেশি।গর্ভাবস্থায় মায়ের কোনও শারীরিক জটিলতা থাকলে তাঁদেরও ঝুঁকি বেশি।বাচ্চাদের উপুড় করে ঘুম পাড়ালে আচমকা শ্বাস বন্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু হওয়ার ঘটনা দেখা যায়।অত্যন্ত নরম বিছানায় বাচ্চাকে ঘুম পাড়ালেও এই দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।বাবা-মা বাচ্চাকে পাশে নিয়ে ঘুমোলে এসআইডিএস-এর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।  তাই ইউরোপ-আমেরিকায় বাচ্চাকে আলাদা বেবি কটে ঘুম পাড়ানো বাধ্যতামূলক। রাতে উঠে মা বাচ্চাকে দুধ খাইয়ে আবার কটে ঘুম পাড়িয়ে দেবেন।বাচ্চার গায়ে কম্বল বা অন্য চাপা দিয়ে রাখলেও এই সম্ভাবনার ঝুঁকি থাকে।পাহাড়ি অঞ্চল বা খুব বেশি ঠান্ডা পড়লে বাচ্চার ঘরে রুম হিটার বা কাঠ কয়লা জ্বালিয়ে ঘর গরম রাখার চেষ্টা করলেও শ্বাসকষ্ট থেকে আচমকা মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।পেটে চাপ দিয়ে উপুড় করে ঘুম পাড়ালে বাচ্চার আচমকা মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।অনেকে বাচ্চার গলায় হার বা কালো সুতোতে মাদুলি পরিয়ে রাখেন। এর থেকে গলায় প্যাঁচ লেগে শিশুর শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।এই ভয়ানক ঘটনার হাত থেকে মুক্তি পেতে যা করা প্রয়োজন:
প্রত্যেক বাবা মায়ের কৃত্রিমভাবে শ্বাস দেওয়ার ব্যাপারটা হাতে কলমে শিখে রাখা উচিত। বাচ্চার কোনও রকম সমস্যা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সিপিআর দিয়ে তারপর নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।উপুড় করিয়ে ঘুম পাড়াবেন না, সোজা করে শুইয়ে রাখতে হবে।আশপাশে কেউ ধূমপান করলেও তা ক্ষতি করে গর্ভস্থ শিশুর। ঘরে তো বটেই ঘরের আশেপাশেও কেউ যেন ধূমপান না করে খেয়াল রাখা দরকার।ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচাতে বাচ্চাকে সুতির ফুলপ্যান্ট ও ফুলহাতা জামা পরিয়ে রাখতে হবে, কম্বল জাতীয় ভারি জিনিস ব্যবহার না করাই ভাল।শিশুকে পরিচ্ছন্ন রাখুন, অপরিচ্ছন্নতা থেকেও শিশুর নানান সংকটজনক অসুখের ঝুঁকি থাকে। বাচ্চাদের ভাল রাখার জন্য পরিচ্ছন্নতা জরুরি। নিজেরা ভাল থাকুন, সদ্যোজাতের সঠিক যত্ন নিন।