বাংলাদেশের ভ্যাকসিনের দাম নির্ধারণ, বিশ লাখ ডোজ টিকা কিনতে সমঝোতা করেছে নেপাল

দেশে করোনায় মোট মৃত্যু পাঁচ হাজার ছুঁই ছুঁই। গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত মোট মৃত্যুসংখ্যা চার হাজার ৯১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩২ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত এক হাজার ৫৬৭ ও সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৫১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত হিসাবে শনাক্ত হলো তিন লাখ ৪৭ হাজার ৩৭২ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছে চার হাজার ৯১৩ জন।মোট সুস্থ হয়েছে দুই লাখ ৫৪ হাজার ৩৮৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১১.৯০ ও মোট শনাক্ত ১৯.২০ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৭৩.২৩ ও মৃত্যুহার ১.৪১ শতাংশ।মৃত ৩২ জনের মধ্যে পুরুষ ২৫ ও নারী সাতজন। তাঁদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের চারজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের আটজন ও ষাটোর্ধ্ব ১৭ জন। বিভাগওয়ারি তাঁদের মধ্যে ঢাকার ২২ জন; চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট ও রংপুরের একজন; খুলনার দুজন ও ময়মনসিংহের চারজন।ফারমার্স ব্যাংকের চার কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি ও অর্থপাচারের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে জব্দ তালিকার সাক্ষী দুদকের ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর আহসান হাবিব আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।আজ রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। এসময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।এর আগে মামলার জামিনে থাকা ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা আদালতে উপস্থিত হন। এছাড়া এ মামলায় কারাগারে থাকা ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীকে (বাবুল চিশতী) আদালতে হাজির করা হয়।এদিকে, এ মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ চার আসামি এখনো পালাতক আছেন। অন্য তিন আসামি হলেন, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়।গত ১৮ আগস্ট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলার বাদী দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে গত ১৩ আগস্ট এ মামলার অভিযোগ গঠন করার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ-৪-এ বদলির আদেশ দেন। গত ৫ জানুয়ারি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ১০ ডিসেম্বর আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। এর আগে ৪ ডিসেম্বর কমিশনের সভায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়া হয়। গত বছরের ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে  দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *