আবা রো ইস লাম নি য়ে ক টুক্তি কর লেন না স্তিক লো পা কু কু রের সা থে না স্তি কের সং সার

স্ট্রোক একটি স্নায়ুজনিত রোগ হলেও বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা এটি হৃদরোগ। যে কারণে কেউ স্ট্রোক করার পর পরই তাকে প্রথমেই নিয়ে যাওয়া হয় কোন হৃদরোগ চিকিৎসক বা হৃদরোগ হাসপাতালে। এতে চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়। যে কারণে রোগীর মৃত্যু ঘটে কিংবা দীর্ঘমেয়াদে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেয়।৬৫ বছর বয়সী স্ট্রোকের রোগী হাবিবুর রহমানকে নোয়াখালীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে পাঠানো হয়েছে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে। সেখান থেকে ঘুরে অতঃপর তিনি এলেন ঢাকা মেডিকেলের নিউরো সার্জারি বিভাগে। অথচ স্ট্রোকের রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ জীবনে ফিরবে কি না সেটি অনেকাংশেই নির্ভর করে আক্রান্ত হওয়ার ৪ ঘণ্টার মধ্যে আক্রান্তের চিকিৎসা শুরু হওয়া বা না হওয়ার ওপর।
স্ট্রোককে ভুল করে হার্টের রোগ ভেবে বেশিরভাগ রোগী ছোটেন হৃদরোগের হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মধ্যেও সচেতনতার অভাব রয়েছে কোথাও কোথাও। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ নিয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখা ভীষণ জরুরী বলে মনে করছেন চিকিৎসকরাডা. মোহাম্মদ সেলিম শাহী বলেন, হঠাৎ করে বুকে ব্যথা বা বুকের ভেতর চাপ অনুভব করা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া এগুলো হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। শুধুমাত্র সেক্ষেত্রে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে হবে।অধ্যাপক ডা. এম এস জহিরুল বলেন, বমি হচ্ছে, এক হাত দুর্বল বা এক পাশ দুর্বল হয়ে গেছে। হঠাৎ করে অন্ধ হওয়া বা চলতে না পারা মানে বুঝতে হবে স্ট্রোক হয়েছে।
নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের মত ঢাকা মেডিকেলের নিউরো সার্জারি বিভাগে ক্যাথল্যাব চালু হওয়ায় স্ট্রোকের রোগীর সর্বাধুনিক চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সঙ্গে সঙ্গেই সেবা নিশ্চিতে স্ট্রোক ইউনিট খোলার দাবি চিকিৎসকদের।ঢামেক নিউরো সার্জারি বিভাগ সহকারী অধ্যাপক ডা. সুমন রানা বলেন, অনেক রোগী এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। চিকিৎসাটা আমরা একভাবে দিতে পারছি না।বিশ্বব্যাপী পঙ্গুত্ব বা শারীরিক অক্ষমতার প্রধান কারণ স্ট্রোক। তাই কারো মুখের কথা বন্ধ হলে, মুখ বেঁকে গেলে, শরীরের কোন অংশ অবশ বা ভারসাম্যহীন হলে নিকটতম হাসপাতালে নিউরো বিভাগে নিয়ে আসার আহ্বান চিকিৎসকদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *